“বদলে দেওয়ার স্বপ্ন” এ স্লোগানে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দক্ষিণ–পূর্ব উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত তিন হাজার বছরের অধিককাল বিদ্যমান দ্বীপের এক ঝাঁক স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সৃজনশীল তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় স্বর্ণদ্বীপ খ্যাত সন্দ্বীপে আত্মপ্রকাশ করে সন্দ্বীপ ইউনিক সোসাইটি।
এটি একটি অলাভজনক ও বেসরকারি সংস্থা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সমাজকে প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত করা এবং আধুনিক সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে প্রতি বছর শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জ্ঞান–বিজ্ঞানের প্রসারে ও শিক্ষার্থীদের বহুমুখী জ্ঞান অর্জনের উৎসাহী করে তোলার জন্য ইউনিক সোসাইটি সন্দ্বীপের ২৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৯টি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে রিয়েলিটি শো “ইউনিক টেলেন্ট কম্পিটেশনের” মত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে।
এছাড়াও ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ইউনিক সোসাইটি প্রতিবছর জাতীয় দিবসগুলো উদযাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পূর্ববর্তী সচেতনতা এবং পরবর্তীতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, ঈদ বস্ত্র,শীত বস্ত্র, বিনামূল্যে চিকিৎসা সহয়তা,বৃক্ষরোপন কর্মসূচি, সন্দ্বীপের জনসাধারণের অধিকার আদায়ের বিভিন্ন প্রতিবাদ সভায় যোগদান, যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষার সচেতনতামূলক প্রচার–প্রচারণা, মহামারী কোভিড–১৯ এ অক্সিজেন সেবা, মাস্ক বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি, শিক্ষা উপকরণ প্রদান,শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, সাবলম্বী প্রজেক্ট, সাহিত্য আড্ডা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ আরও নানা মুখী কার্য সম্প্রদান করে আসছে।
আধুনিক সমাজ বিনির্মান ও দ্বীপের মানুষের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সন্দ্বীপের এ কর্ম উদ্যমী তারুণ্যের দল নিজেদের পকেটের টাকায় ও কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সহযোগিতায় দীর্ঘ ১৫ বছর নিঃস্বার্থভাবে সমাজের সেবা করে আসছেন। সন্দ্বীপকে নানা প্রতিবন্ধকতামুক্ত ও টেকসই উন্নয়নের প্রত্যয়ে ইউনিক সোসাইটির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।